সুনামগঞ্জ , মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ , ১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আজ পহেলা বৈশাখ আগামী সপ্তাহে চিকিৎসা ও বাণিজ্যিক ভিসা চালু করছে ভারত ভাঙন রোধ, অবৈধ দখল উচ্ছেদ এবং দূষণ নিয়ন্ত্রণে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা মইনপুরে প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত ১ নববর্ষ হাওরবাসীর জন্য বয়ে আনুক মঙ্গলবার্তা সাড়ে ৫ হাজার কোটি টাকার ফসল উৎপন্নের আশা যে ছয় কারণে ব্যর্থ হল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি আলোচনা অধ্যাদেশ নিয়ে বিরোধীদল ইস্যু তৈরির চেষ্টা করছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিএনপি সব জায়গায় নিজেদের লোক বসিয়ে ‘ক্যু’ শুরু করেছে : জামায়াত আমির ভোজ্যতেলের দাম বাড়ছে না : বাণিজ্যমন্ত্রী সিলেটে বিশিষ্টজনদের সাথে ভারতের মনিপাল হাসপাতালের কর্তৃপক্ষের মতবিনিময় শান্তিগঞ্জে বাঁধ কেটে জলাবদ্ধতা নিরসনের উদ্যোগ, স্বস্তিতে কৃষক সাত দফা দাবিতে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি হাওরে জলাবদ্ধতা নিরসনে বাঁধ কাটতে গিয়ে তরুণের মৃত্যু, শোকে স্তব্ধ মধ্যনগর প্রধানমন্ত্রী সিলেট আসছেন ২ মে এগারো দলীয় জোটের ভবিষ্যৎ কী সমন্বিত প্রচেষ্টায় বিচারিক কাজকে আরো কার্যকরের আহ্বান পাথারিয়া ইউপি ভবন নির্ধারিত স্থানে বাস্তবায়নের দাবিতে সভা পানির তোড়ে ভেঙে যাওয়া বাঁধ রক্ষা করলেন হাজারো কৃষক গণশুনানিতে বদলাচ্ছে রাজনীতির ধরণ, আলোচনায় এমপি কামরুল
বৃষ্টির আশায় প্রহর গুনছেন কৃষকরা

জগন্নাথপুরে পানি সংকটে ফসলি জমি ফেটে চৌচির

  • আপলোড সময় : ২৭-০২-২০২৬ ০২:৩৬:২০ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৭-০২-২০২৬ ০২:৩৭:০৫ পূর্বাহ্ন
জগন্নাথপুরে পানি সংকটে ফসলি জমি ফেটে চৌচির
মোশাহজাহান মিয়া::
জগন্নাথপুরে পানি সংকটে ফসলি জমি ফেটে চৌচির হয়ে গেছে। এখন হাওরজুড়ে বৃষ্টির জন্য রীতিমতো হাহাকার চলছে। বোরো মৌসুম শুরুর পর থেকে একটানা কয়েক মাস ধরে মিলছে না বৃষ্টির দেখা। বোরো ধানের চারা রোপনকালীন সময়ে জমিতে থাকা অল্প পানি ও মেশিন দিয়ে সেচ দেয়া পানি দিয়ে জমি আবাদ করা হয়েছে। জমি রোপনের প্রায় দেড় থেকে ২ মাস ধরে পানি সংকটে পড়েছে বোরো ফসল। কৃষকদের মনে অনেক আশা ছিল বাংলা মাস ‘মাঘে-মেঘে’ দেখা হবে। যদিও এটি পুরাতন একটি কথা। যা কৃষকদের কাছে ব্যাপক পরিচিত। মাঘ মাস শেষ হয়ে এখন ফাল্গুন চলছে। এখনো মিলছে না বৃষ্টির দেখা। ফলে কৃষকেরা হতাশ হয়ে পড়েছেন। কৃষকরা জানান, গত কয়েক দিন ধরে আকাশে বৃষ্টির ভাব দেখা গেলেও হচ্ছে না কাক্সিক্ষত বৃষ্টি। বর্তমানে বোরো জমিতে বৃষ্টির খুবই প্রয়োজন। বৃষ্টি হলে জমির ফলন ভালো হবে। দূর হবে ধানের রোগবালাই। বৃষ্টির অভাবে অনেক জমির ধান লালছে হয়ে গেছে। হাওরের বিল ও ডোবার পানি অনেক আগেই শেষ হয়ে গেছে। মাছ ধরার জন্য খাল, বিল, নদী-নালা শুকিয়ে দেয়া হয়েছে। এখন একমাত্র ভরসা হচ্ছে বৃষ্টি। সেই বৃষ্টির আশায় প্রহর গুনছেন কৃষকরা। গত বুধবার সরেজমিনে নলুয়ার হাওর ও নারিকেলতলা হাওরে গিয়ে কথা হয় কৃষক এনামুল হক, আনোয়ার হোসেনসহ অনেকের সাথে। তারা বলেন, পানির অভাবে জমি ফেটে গেছে। জমিতে পানি দেয়ার কোন ব্যবস্থা নেই। কারণ হাওরের খাল, বিল, নদী-নালা অনেক আগেই শুকিয়ে দেয়া হয়েছে। তাই নিরুপায় হয়ে বৃষ্টির জন্য অপেক্ষা করছি। জগন্নাথপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কাওসার আহমেদ জানান, জগন্নাথপুর উপজেলার ১২টি হাওর এবং নন হাওরে এবার ২০ হাজার ৪২৩ হেক্টর জমিতে বোরো ধান আবাদ হয়েছে। যার সরকারিভাবে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ২৮ হাজার ৮৫০ মেট্রিকটন ধান। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে জানানো হয়েছিল গত সপ্তাহে বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা ছিল। তা হয়নি। তবে বৃষ্টি হলে ফসলের জন্য খুবই ভালো হবে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
নববর্ষ হাওরবাসীর জন্য বয়ে আনুক মঙ্গলবার্তা

নববর্ষ হাওরবাসীর জন্য বয়ে আনুক মঙ্গলবার্তা